তিনি বলেছেন, ‘এখানে যাতে কোনো ধরনের দলীয় ইতিহাস পরিণত না হয়। এটা একটা প্রকৃত ইতিহাস চর্চার জায়গা। এর আগের সময়গুলোতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়েও দলীয়করণ হয়েছে। একদল আসছে পাঠ্যপুস্তক পাল্টে গিয়েছে, ইতিহাস পাল্টে গিয়েছে। জাদুঘরের একটা জাতীয় চরিত্র থাকা উচিত যাতে সেটাকে সবাই ধারণ করতে পারে এবং প্রকৃত সত্যটাই সেখানে আসে।’
আজ শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন নাহিদ ইসলাম। এনসিপির প্রতিনিধিদলে সদস্যসচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ এনসিপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এর আগেও আমরা এখানে এসেছিলাম। আজ কিছু পরিবর্তন আমরা দেখতে পেয়েছি। এই সরকার এ পরিবর্তন করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখানে সীমান্ত হত্যার একটা সেগমেন্ট ছিল। সীমান্তে আমাদের যে সকল ভাই বোনেরা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে তাদের একটা তালিকা ছিল। ফেলানির একটা ভাস্কর্য ছিল। সেই জিনিসগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। মোদি বিরোধী আন্দোলনের কিছু স্মৃতি ছবি ছিল সেটা সরিয়ে ফেলা হয়েছে। সরকার হয়তো ভারতকে খুশি করার জন্য করেছে। কিন্তু আমাদের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদার ভিত্তিতে।’