ফুটবলে কারো ব্যক্তিগত নৈপুণ্য নয়, দলগত পারফরম্যান্সে সাফল্য আসে, সেই কথা মনে করিয়ে দিলেন তিনি, ‘সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলদেশের উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের জন্য আমি ছেলেদের অভিনন্দন জানাই। তবে একজন সাবেক খেলোয়াড় এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে আমি শুধু একটি বিষয় স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, ফুটবলে সাফল্য ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে নয়, বরং দল হিসেবে একে অপরের জন্য লড়াই করার মাধ্যমেই অর্জন করা সম্ভব।’
ফ্রি কিক ও হেড থেকে গোল করা সুলিভানকে নিয়ে তিনি বললেন, ‘আমার মনে হয়েছে আজকের জয়ের নায়ক রোনান-কে আরও সুযোগ করে দেওয়া যেত, কিন্তু সেখানে টিম কম্বিনেশন ও কমিউনিকেশনের কিছুটা অভাব স্পষ্ট দেখা গিয়েছে।’
দেশের বাইরে থেকে আসা খেলোয়াড়কে অবমূল্যায়ন করার কোনো কারণ দেখছেন না ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, ‘মাঠে সবাইকে একে অপরের ওপর সমানভাবে আস্থা রেখে খেলতে হবে—সে স্থানীয় হোক, কিংবা বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়। জন্মস্থান, বেড়ে ওঠা যেখানেই হোক না কেন, যারা দেশের জন্য লাল-সবুজের জার্সি গায়ে জড়ান তারা সকলেই বাংলাদেশি।’
দেশ ও দলের স্বার্থ্যকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান আমিনুলের, ‘যেকোনো খেলায় দেশের পতাকা ও দলের স্বার্থই যেন সকল ব্যক্তিগত লক্ষ্য অর্জনের উর্ধ্বে থাকে, এ চিন্তাধারা আমাদের আন্তর্জাতিক ফুটবলীয় সাফল্য অর্জনের জন্য অপরিহার্য।’