রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংগঠনের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কার ও শোকজের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
বহিষ্কৃতরা হলেন—জবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সবুজ শাহরিয়ার, সদস্য মো. ইসরাফিল ইসলাম রাফিল, মাসুম রেজা, ইয়াসিন সাইফ, ইমরান হোসেন ইমন, মনিরুজ্জামান মনির, মো. সৌরভুর রহমান সুজন এবং ছাত্রনেতা কাব্য সাহা।
তাদের মধ্যে প্রথম সাতজনকে সাংগঠনিক পদ থেকে এবং কাব্য সাহাকে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, জবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাহিয়ান বিন হক অনিককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কেন তার বিরুদ্ধে স্থায়ী সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
নাহিয়ান বিন হক অনিককে কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে নয়াপল্টনে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ওই ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
পরপর সংঘর্ষের ঘটনা
এর আগে রোববার ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে জবি শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন ও যুগ্ম আহ্বায়ক নাহিয়ান বিন হক অনিকের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিনজন আহত হন।
এর কয়েক দিন আগে, ১৬ সেপ্টেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নবীনবরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সংগঠনটির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁঠালতলা এলাকায় ওই সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন।
পরপর এসব ঘটনার পর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে আট নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার এবং একজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।
কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।