সোমবার হুথি-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আল-আসবাহি জানান, সৌদি সীমান্তবর্তী আল-জাওফ প্রদেশের সেন্ট্রাল কারেক্টিভ ফ্যাসিলিটিতে হামলাটি চালানো হয়।
হামলার পর ধ্বংসস্তূপ ও উদ্ধার তৎপরতার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে হুথি-নিয়ন্ত্রিত আল মাসিরাহ টেলিভিশন। ফুটেজে একটি ভবনের ধসে পড়া অংশ এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে উদ্ধারকর্মীদের তল্লাশি চালাতে দেখা যায়। রয়টার্স স্বাধীনভাবে এসব ফুটেজের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।
এ ঘটনায় সৌদি আরবের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, আল মাসিরাহ আরও একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে হুথিদের দাবি অনুযায়ী, ইয়েমেনের পূর্বাঞ্চলীয় হাদরামৌত প্রদেশের একটি সীমান্ত ক্রসিংয়ে সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী সৌদি সরবরাহকারী ট্রাকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে দেখা যায়। ভিডিওর একটি স্ক্রিনশটে একটি সামরিক ক্যাম্পের ট্রাক থেকে ধোঁয়া ও আগুনের গোলা উঠতে দেখা গেছে।
হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আল-জাওফে “গণহত্যা” চালানো, গোয়েন্দা ড্রোন পরিচালনা এবং ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর যোদ্ধাদের অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সৌদি “আগ্রাসন” শাস্তিহীন থাকবে না এবং ইয়েমেনের জনগণের বিরুদ্ধে কথিত কর্মকাণ্ডের জন্য সৌদি আরবকে পরিণতি ভোগ করতে হবে।
সারি আরও দাবি করেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হুথিরা সৌদি আরবের চারটি গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে একটি চীনা নির্মিত সিএইচ-৪ ড্রোন রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১২ ঘণ্টায় ভূপাতিত হওয়া এটি ছিল দ্বিতীয় ড্রোন এবং ২৪ ঘণ্টায় মোট চতুর্থ বিমান।
সূত্র: রয়টার্স