সোমবার এক বিবৃতিতে আলবানিজ বলেন, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষের মরদেহের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধের অভিযোগ তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যমান প্রমাণ রয়েছে। এর মধ্যে গণহত্যার অভিযোগ তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় আলামতও থাকতে পারে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হিসাব উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, গাজায় এখনো ১০ হাজারের বেশি মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকতে পারেন।
আলবানিজ আরও জানান, একাধিক সূত্র থেকে তিনি বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পেয়েছেন যে গাজায় ধ্বংসস্তূপ অপসারণের কাজে ইসরায়েলি কোম্পানিগুলোও যুক্ত রয়েছে। তবে তিনি কোনো কোম্পানির নাম প্রকাশ করেননি।
তিনি বলেন, ধ্বংসস্তূপকে কেবল নির্মাণবর্জ্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। এর মধ্যে মানুষের মরদেহ, অপরাধের ঘটনাস্থলের আলামত এবং যুদ্ধের সময় কী ঘটেছিল, তার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ থাকতে পারে।
এ বিষয়ে ইসরায়েল এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলে হামাসের আকস্মিক হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হয়। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, দুই বছরের সংঘাতে গাজায় প্রায় ৬ কোটি ১০ লাখ টন ধ্বংসাবশেষ ও বর্জ্য জমেছে। এসব ধ্বংসস্তূপ অপসারণে প্রায় সাত বছর সময় লাগতে পারে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে এ পর্যন্ত ৭৩ হাজার ৪৫৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। মন্ত্রণালয়টি জানিয়েছে, গত অক্টোবরে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরও ১ হাজার ৩২৯ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
ফ্রান্সেসকা আলবানিজ ২০২২ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের বিশেষ প্রতিবেদক হিসেবে নিয়োগ পান। তবে তিনি জাতিসংঘের পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দেন না।
সূত্র: শাফাক নিউজ