স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ভবনটিতে শিক্ষার্থীদের জন্য পেইং-গেস্ট (পিজি) আবাসন ছিল। ভবন ধসের পর কয়েকজন শিক্ষার্থী ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আটকে পড়া ব্যক্তিরা ফোন করে সাহায্য চেয়েছেন বলেও জানা গেছে। উদ্ধারকারীরাও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে চিৎকার ও সাহায্যের আবেদন শুনতে পেয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দিল্লি ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স ও উদ্ধারকারী দল। অন্তত ১২টি ফায়ার টেন্ডার উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে। ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত অন্তত দুজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ভবনটিতে দুর্ঘটনার সময় ঠিক কতজন মানুষ ছিলেন, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, ভবনটিতে কয়েক ডজন শিক্ষার্থী ও অন্যান্য বাসিন্দা থাকতে পারেন।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি জানিয়েছেন, আটকে পড়া ব্যক্তিদের দ্রুত উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান চালানো হচ্ছে। নিরাপত্তার স্বার্থে পাশের একটি ভবনও খালি করে দেওয়া হয়েছে।
দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের ডিভিশনাল অফিসার রামগোপাল মীনা গণমাধ্যমকে জানান, পিয়ারেলাল রোডের জুয়েলার্স এলাকায় ওই ভবনে ধসের ঘটনা ঘটে। সেখানে ভবনটি ভাঙার কাজ চলছিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ভবনটি অনেক পুরোনো ও জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল।
স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভবন ধসের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি শুরু করে।
ভবনটি কী কারণে ধসে পড়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু করার কথা রয়েছে।
এদিকে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে উদ্ধারকারীরা তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন। ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: গালফ নিউজ