প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সোমবার ভোরে রিয়াউ প্রদেশের ডুমাই শহরের পশ্চিম ডুমাই এলাকার পুর্নামা সৈকতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
ডুমাই নৌ ঘাঁটির কমান্ডার কর্নেল আগুং নুগ্রোহো কুসুমাঝি জানান, আগের সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মালয়েশিয়া থেকে অবৈধ অভিবাসী ও বিদেশি নাগরিকদের নিয়ে একটি স্পিডবোট ডুমাই উপকূলের দিকে আসছে। এরপর পুর্নামা সৈকত ও আশপাশের এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়।
ভোরে দুটি ২০০ হর্সপাওয়ারের ইঞ্জিনযুক্ত স্পিডবোটটি সৈকতে পৌঁছালে নৌবাহিনী অভিযান চালায়। এ সময় নৌবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে যাত্রীরা ও মাঝি পালানোর চেষ্টা করেন। প্রথমে ৩ ইন্দোনেশীয় নাগরিককে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে আরও ৮ বাংলাদেশি ও ৫ ইন্দোনেশীয় নাগরিককে আটক করা হয়। তবে মাঝি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানান, মালয়েশিয়া থেকে সমুদ্রপথে ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছাতে জনপ্রতি ৬৫ লাখ থেকে ৯৫ লাখ ইন্দোনেশিয়ান রুপিয়া খরচ হয়েছে। তাদের কাছ থেকে স্পিডবোট, পাসপোর্ট ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
আটক বাংলাদেশিদের ডুমাই ইমিগ্রেশন অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।