এর আগে গত সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কার্যক্রম পরিচালনাকারী একটি মিশরীয় ব্যাংককে লক্ষ্যবস্তু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার বার্তাসংস্থা এপি জানায়, ইরানকে তার অবশিষ্ট বৈশ্বিক বাণিজ্য অংশীদারদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে গত সপ্তাহে ঘোষিত ওই অভিযানটি ইতোমধ্যেই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। যেখানে ‘ইকোনমিক ডি-ডে’র প্রতিশ্রুতি দ্রুতই ইরানের বাণিজ্য অংশীদারদের প্রতি সতর্কবার্তা ও আলোচনার পর্যায়ে নেমে এসেছে।
যুগের পর যুগ ধরে ইরানের ওপর আর্থিক অবরোধ দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এগুলো সফলতার মুখ দেখেনি। এবার যুদ্ধে নেমে কখনো হামলা, কখনো অবরোধ— এমন দদুল্যমান অবস্থায় রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সর্বশেষ তারা ইরানের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ১৮ জনকে হত্যা ও শতাধিক জনকে আহত করে। হতাহতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। শুক্রবার আল জাজিরা জানায়, ওই হামলার তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি সামরিক হামলা পুনরায় শুরু করেছে। ফলে ইরানের পাল্টা পদক্ষেপের কারণে পূর্ণমাত্রার আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা নতুন করে দেখা দিয়েছে। অনমনীয় ইরানি সরকারের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ অবসানে হিমশিম খাওয়া ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এ দ্বিমুখী কৌশলের ফলাফল কী হবে, তা এখনো অস্পষ্ট।