৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আজিজুল হক সঞ্জাব অভিযোগ করে বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের আগে আবুল কালাম আজাদ যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর তা আর বাস্তবায়ন করেননি। তিনি দাবি করেন, ইউপি সদস্যদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই উন্নয়ন সহায়তার বিশেষ বরাদ্দের ৩৫ লাখ টাকার মধ্যে ১০ লাখ টাকা ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়েছে। বাকি ২৫ লাখ টাকা মঙ্গলবার উত্তোলনের চেষ্টা করা হলে বিষয়টি জানতে পেরে ইউপি সদস্যরা প্রতিবাদ হিসেবে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত বছরও প্রায় ১৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। পরে স্থানীয়ভাবে সমঝোতার মাধ্যমে সেই অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়।
অন্যদিকে, প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, "ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় জনগণ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। তাই জনগণের ভোগান্তি কমাতে তালা ভেঙে কার্যালয়ে প্রবেশ করে অফিসের কাজ শুরু করেছি। আর কাজই যখন শেষ হয়নি, তখন বিল উত্তোলনের প্রশ্নই আসে না।"
এ বিষয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, "এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" তিনি আরও জানান, গত বছর একই প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল, তবে পরে অভিযোগকারীরা সেটি প্রত্যাহার করে নেন।
এদিকে ইউনিয়ন পরিষদের ভেতরের এই দ্বন্দ্ব স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অভিযোগের সত্যতা ও বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যবহার নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।