এর আগে এই হামলায় তিনজন নাবিক নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে তেহরান হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ করে দেয়, যা বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের খলিফা বন্দর থেকে যাত্রা করার পর প্রণালী পার হওয়ার সময় গত মার্চে থাইল্যান্ডের পতাকাবাহী ‘মায়ুরি নারী’ জাহাজটি হামলার কবলে পড়ে। জাহাজের মালিক সংস্থা ‘প্রেশাস শিপিং’ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত অংশে কিছু মানুষের দেহাবশেষ পাওয়া গেছে, তবে মৃতদেহের সংখ্যা বা পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
মধ্যমে বিশজন থাই নাবিক দেশে ফিরে এসেছেন, কিন্তু তাদের তিন সহকর্মী নিখোঁজ রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, তারা ক্ষতিগ্রস্ত ইঞ্জিন কম্পার্টমেন্টে আটকা পড়েছেন। জাহাজের ইঞ্জিন রুমে পানি ঢুকে যাওয়ায় এবং আগুনের কারণে তল্লাশি করা কঠিন ছিল।
এ ঘটনায় থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দুঃখ প্রকাশ করেছে। ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) মার্চে জানিয়েছিল, তারা প্রণালীতে ‘মায়ুরি নারী’ এবং লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী একটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে কারণ জাহাজগুলো ‘সতর্কবার্তা’ উপেক্ষা করেছিল।
সূত্র: এএফপি।