অভিযোগ উঠেছে, গত শনিবার করাচি কিংসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে চারজন অননুমোদিত ব্যক্তিকে হোটেলের সংরক্ষিত ফ্লোরে নিয়ে গিয়েছিলেন শাহীন আফ্রিদি ও সিকান্দার রাজা। নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ওই ব্যক্তিদের প্রবেশের অনুমতি না দিলেও এবং পিসিবির পক্ষ থেকে নিষেধ থাকা সত্ত্বেও ক্রিকেটাররা তাদের জোরপূর্বক ভেতরে নিয়ে যান। জানা গেছে, সিকান্দার রাজার সেই অতিথিরা প্রায় তিন ঘণ্টা খেলোয়াড়দের রুমে অবস্থান করেছিলেন।
লাহোর কালান্দার্স এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দলের ভেতর শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই শাহীন আফ্রিদির ওপর এই ১০ লক্ষ রুপি জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিটি একে একটি ‘স্বেচ্ছাসেবী ও সক্রিয়’ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। যদিও তারা দাবি করেছে, বিষয়টি জনসমক্ষে যতটা বড় করে দেখানো হয়েছে, বাস্তবে পরিস্থিতি অতটা গুরুতর ছিল না। বরং এটি একটি ‘ভুল বোঝাবুঝি’।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই ঘটনার বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ এবং ব্যাখ্যা ইতোমধ্যে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) জানিয়েছে লাহোর কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে খেলোয়াড় ও অফিশিয়ালদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়োজিত কর্মীদের প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছে দলটি।
মাঠের লড়াইয়ে হারের পাশাপাশি একের পর এক বিতর্কে লাহোর কালান্দার্সের সাজঘরের পরিবেশ এখন যথেষ্ট থমথমে। একদিকে ফখর জামান বল টেম্পারিংয়ের দায়ে ১-২ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার মুখে, অন্যদিকে নাসিম শাহর ২ কোটি রুপি জরিমানা আর এখন শাহীন আফ্রিদির এই দণ্ড। মাঠের বাইরের এসব ঘটনা বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের বেশ অস্বস্তিতে ফেলেছে। সেইসঙ্গে টুর্নামেন্টের শুরুতেই এসব বিতর্ক ম্লান করে দিচ্ছে পিএসএলকে।