এ সময় তিনি নিজের হাতে হাতকড়া ও মাথায় হেলমেট পরানোর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ ঘটনার ভিডিও ইতোমধ্যে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।
তিনি বলেন, আমার মুক্তিযুদ্ধ করে পাওয়া দেশে আমার হাতে হাতকড়া ও মাথায় হেলমেট পরানো হয়েছে।
আদালতে নেওয়ার সময় তিনি আরও বলেন, আমি বিমানের অব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেছি। এ সময় প্রিজনভ্যানের ভেতর থেকে আঙুল তুলে পুলিশকে শাসাতেও দেখা যায় তাকে। এক সময় তিনি হেলমেট ছুড়ে ফেলে দেন।
তিনি আরও বলেন, ভাইয়েরা, জনগণের অধিকার সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। জনগণের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। আমরা জনগণের জন্য লড়ব ইনশাআল্লাহ।
উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার সকালে মদিনা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে আসা ওমরাহ যাত্রীদের জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্ব হয়। ওই ফ্লাইটে ছিলেন আখতারুজ্জামান। ঢাকায় বিমানবন্দরে নেমে তিনি ওই ঘটনা নিয়ে বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ‘অনাকাঙ্খিত’ আচরণ শুরু করেন।
তিনি বিমানমন্ত্রীর নাম ধরেও আপত্তিকর মন্তব্য করেন। তার উচ্চবাচ্যের ভিডিওটিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক (ইডি) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এসএম রাগীব সামাদকে উদ্দেশ করে বলছেন, ‘ঘাড় ধরে বের করে দিব, ঘাড় ধরে বের করে দিব। আপনারা কাজ করেন না, কিছু করেন না, তদবির করে পোস্ট নেন। মার খাইতে চান?’ তবে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে শান্তভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করতে দেখা যায়।
ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিমানবন্দরের মতো এলাকায় দায়িত্বশীল ব্যক্তির এমন অশোভন আচরণ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। এর পরই শুক্রবার বিমানবন্দর থানায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) নিরাপত্তা কর্মকর্তা শাহরিয়ার আলম সজীব মামলা করেন। মামলায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা, হুমকি প্রদানের অভিযোগ আনা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, বিমানবন্দর থানার মামলার আসামি আখতারুজ্জামানকে তার বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।