স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে পড়াশোনার কারণে ঢাকায় অবস্থান করছেন। বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী দুজনই বসবাস করতেন। প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতেও খাবার শেষে তারা আলাদা কক্ষে ঘুমাতে যান।
নিহতের স্বামী বিধান চন্দ্র রায় জানান, রাত প্রায় সোয়া ১২টার দিকে তার ঘরের দরজায় হঠাৎ জোরে ধাক্কার শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। একই সময় স্ত্রীর কক্ষ থেকে অস্বাভাবিক গোঙানির শব্দ শুনে তিনি দ্রুত সেখানে ছুটে যান। ঘরে ঢুকে তিনি দেখতে পান, রিতা রানী মজুমদার রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছেন এবং তার গলা কাটা।
তিনি আরও জানান, চিৎকার করে বাইরে বের হলে বাড়ির সদর দরজা খোলা দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (গাবতলী সার্কেল) হুমায়ুন কবীর জানান, নিহতের মরদেহ শয়নকক্ষের মেঝেতে গলাকাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে। হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।