বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে সাঘাটা উপজেলা পরিষদ চত্বরের সামনে এলাকাবাসী উদ্যোগে আয়োজিত এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে নিহত শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী ও আহত শিবির কর্মী সালাউদ্দিনের পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং উপজেলা জামায়াত-ছাত্রশিবিরের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরাসহ সচেতন এলাকাবাসী অংশ গ্রহণ করেন ।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, নিহত সাইফুল্লাহ বারীর বড় ভাই ফারুক আজম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাঘাটা উপজেলা সভাপতি সাজেদুর রহমান এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এনামুল হক সরকার প্রমুখ।
নিহত শিবির নেতা সাইফুল্লাহর বড় ভাই ফারুক আজম বলেন, আমার ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এ হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
উপজেলা শিবির সভাপতি সাজেদুর রহমান বলেন, সাইফুল্লাহ বারী আমাদের একজন নিবেদিত কর্মী ছিলেন। প্রকাশ্যে সংঘটিত এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, প্রকাশ্যে সংঘটিত এ হত্যাকাণ্ড এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। মামলার কয়েকজন আসামী এখনও পলাতক থাকায় নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কিত।
উল্লেখ্য, সাঘাটা উপজেলার কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি পদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত ২১ জুন দুপুরে বোনারপাড়া বাজারের
চৌরাস্তা মোড়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সাইফুল্লাহ বারী (২৫) নামের এক ছাত্রশিবির নেতার ওপরে হামলা ও শাবল দিয়ে গলায় আঘাত করলে রক্তাক্ত গুরুতর জখম হয়। তাকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করেন। । এ সময় ওই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও এক কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।