মঙ্গলবার( ২৮ জুলাই)। সকালের দিকে গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ওই অভিযোগের প্রতিকার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম।
ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে জানান, তিনি লেখাপড়া না জানা নিরক্ষর ও গ্রামের সাধারণ একজন মানুষ। তিনি টিপ সহি ছাড়া স্বাক্ষর করতে পারেন না। তার সাথে এক সময় সাংবাদিক নামধারী শাহীন মিয়ার পরিচয় হয়। এই শাহীন মিয়া মাইটিভির গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলা প্রতিনিধি।
তিনি প্রায় ৫/৬ বছর আগে সাদুল্যাপুর বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে ২টি সেচ মটর নেয়ার জন্য আবেদন করেন। তার পরিচিত পার্শ্ববর্তী বনগ্রাম ইউনিয়নের জয়েনপুর গ্রামের মাইটিভির সাংবাদিক শাহীন মিয়ার সাথে দেখা হলে তিনি বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ থেকে ২টি সেচ মটর নিয়ে দেবে বলে ৮ হাজার ৩শ টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে শাহীন মিয়া জানান যে, সেচ মটর দুটি বরেন্দ্র থেকে নেওয়ার সময় দুটি চেকের পাতা অফিসে জমা দিতে হবে। কিন্তু শহিদুল ইসলামের কাছে কোনো চেকের পাতা না থাকায় তাকে অগ্রণী ব্যাংক সাদুল্যাপুর শাখায় একটি একাউন্ট খুলে দেন। যার সঞ্চয়ী হিসাব নং ০২০০০১৬০৫৭২৮৩। এরপর শহিদুল ইসলামের কাছ থেকে টিপ সহি নিয়ে শাহীন মিয়া চেকের প্রথম পাতা বাদ দিয়ে ২য় ও ৩য় পাতা ছিঁড়ে নেন। পরবর্তীতে প্রতারক শাহীন মিয়া তার কাছ থেকে নেয়া উক্ত চেকের একটি পাতায় ৫ লক্ষ টাকা বসিয়ে উল্টো চেক ডিজঅনার মামলা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম এ বিষয়ে প্রতিকার দাবি করে সাংবাদিক নামধারী প্রতারক শাহীন মিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে শহিদুলের সাথে প্রতিবেশী লিটন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।