রোববার ( ৩০ আগস্ট) দুপুরের দিকে জব্দ করা ওইসব সার উপজেলার কামারপাড়া বাজার থেকে প্রশাসনের কার্যালয়ে আনা হয়েছে ।
জব্দ করা সারের মধ্যে- ইউরিয়া ৯৪ বস্তা,ডিএপি ১৯ বস্তা, টিএসপি ১৭ বস্তা, জিপসাম ৬৮ বস্তা, ও পটাশ ১৩ বস্তা রয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, শনিবার (২৯ আগস্ট) উপজেলার কামারপাড়া বাজারের মিঠুন চন্দ্র বর্মনের দোকান থেকে ১৪ বস্তা আর ভ্যান যোগে সুন্দরগঞ্জের উপজেলার দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় স্থানীয়রা টের পেয়ে প্রশাসনের খবর দেয়। এরপর মিথুন চন্দ্র বর্মনের গুদামে আরো সার মজুদ আছে বলে এলাকাবাসী বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকেন। এর প্রেক্ষিতে প্রশাসনের লোকজন এসে ২১১ বস্তা সার জব্দ করেন।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, এমন মৌসুমে সাড়ে চাহিদা বেড়ে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে অনেকেই সার মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছেন। তাই অবৈধ মজুমদারের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন তারা।
সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রওজাতুন জান্নাতের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি।
সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অপূর্ব ভট্টাচার্য বলেন, বিভিন্ন ধরনের ২১১ বস্তা সার জব্দ সহ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা সারগুলো প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে। ওই সারগুলো সরকারি দামে কৃষকের কাছে বিতরণ করা হবে বলে জানান তিনি।