লিখিত বক্তব্যে শাহিনা বেগম বলেন, গাইবান্ধা জেলার ৬টি জুলাই শহীদের কবর পাকা করার কাজ দীর্ঘদিন আগে শুরু হলেও এখন পর্যন্ত কোনোটিই সম্পূর্ণ হয়নি। বারবার ঠিকাদার ছাত্রশক্তির আহবায়ক মেহেদী হাসানকে বলা হলেও তিনি কর্ণপাত করেননি। এব্যাপারে জানতে জেলা পরিষদের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, মেহেদী হাসান সব বিল তুলে নিয়ে গেছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানালে তিনি আশ্বাস প্রদান করলেও এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি। শাহিনা বেগম বলেন, গত ২ জুন জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপি জেলা শাখার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সদস্য সচিব রাহাত ইবনে শহীদ জুলাই আন্দোলনের শহীদ সজলকে চেনেন না বলে বক্তব্য দিয়ে শহীদ পরিবারের প্রতি অবজ্ঞা দেখিয়েছেন।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, গাইবান্ধা জেলায় জুলাই ও শহীদ এবং আহতদের পুনর্বাসন কমিটি গঠিত হয়েছে। সাবেক জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমদের সভাপতিত্বে শহীদ পরিবারের ওই কমিটিতে কে আছে তাও তারা জানেন না। পরবর্তীতে জানতে পারেন শহীদ সজলের মা শাহিনা বেগমের নাম রয়েছে কিন্তু কোন পদে রয়েছে তাও জানা নেই। কোন দুর্নীতি অমিয়ম হলে শহীদ পরিবারদের দায়ী করতে পারবে না।
লিখিত বক্তব্যে শাহিনা বেগম আরও বলেন, ২৪ এর জুলাই শহীদ ও আহতদের রক্তের সাথে বেমাইনী করে গাইবান্ধায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন এনসিপির নেতৃবৃন্দ। এজন্য তারা এনসিপিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। শহীদ পরিবারগুলোর নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়। কারণ প্রায়ই শহীদ পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন।