শুক্রবার (১২ জুন) সকালের দিকে সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের খোদ্দরসুলপুরের মোংলাবন্দরে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার মোংলা বন্দরেরর খাইরুলের চাতালে আনিসুর ডাক্তার নামে এক ব্যক্তির নেতৃত্বে ৬ টি ঘোড়া জবাই করে মাংস পাচারের প্রস্তুতি চলছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় জনতা ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে রাখে। খবর পেয়ে সাদুল্যাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি ঘটনার সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম শুরু করেন।
আইন সংশ্লিষ্টরা জানান, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে বাংলাদেশ দন্ডবিধি ১৮৬০, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯, নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এবং প্রাণী জবাই ও খাদ্য নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রযোজ্য অন্যান্য আইনের আওতায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এছাড়া জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বা প্রতারণামূলকভাবে মাংস বিক্রি কিংবা সরবরাহের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে সাদুল্যাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান ও সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম হাবিবুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তারা এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে প্রশাসনের সহনশীলতা নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।’
উল্লেখ্য, ঘটনার তদন্ত চলমান থাকায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে নির্ধারিত হবে।