রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের হেলেঞ্চা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃতরা হচ্ছেন, উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের হেলেঞ্চা গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে সৈকত (২৭) ও উল্যাহ সোনাতলা গ্রামের বাদল মিয়ার ছেলে মুস্তাকিম (২১)।
স্থানীয়রা জানায়, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধু শনিবার রাতে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় তার বোনের বাড়ি থেকে সাঘাটায় নিজ বাড়ি ফিরছিলেন। পথে বোনারপাড়ায় পৌঁছিলে তার বোন জামাইয়ের পূর্ব পরিচিত সৈকতের সাথে দেখা হয়। এসময় সুযোগ বুঝে সৈকত তাকে নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দেয়ার কথা বলে একটি ভ্যানে তোলে। কিন্তু বাড়ি নিয়ে যাওয়ার বদলে সৈকত ও তার সহযোগী মুস্তাকিম ও গৃহবধুকে হেলেঞ্চা এলাকার একটি নির্জন পরিত্যক্ত ইটভাটায় নিয়ে যায়। সেখানে আনুমানিক রাত ১০টার দিকে ওই দুই পাষণ্ড লম্পট গৃহবধুর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে পালাকরে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় তার আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা ধর্ষক সৈকত ও মুস্তাকিমকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে বোনারপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুইজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। স্থানীয়রা গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ভুক্তভোগী ওই নারীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) দুরুল হুদা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত দুই যুবককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাঘাটা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।