মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মিলনায়তনে স্থানীয় সংসদ সদস্য, কয়লাখনি, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং মধ্যপাড়া পাথর খনির কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার এ দেশ শাসন করেছে। তারা দেশীয় সম্পদকে অবহেলা করে আমদানি নির্ভরতার ব্যবস্থা তৈরি করেছিল।”
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সরকার এবং তারা দেশীয় সম্পদ কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। তার ভাষায়, দেশের সম্পদ আহরণ করে তা জাতীয় উন্নয়নে ব্যবহার করাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য জ্বালানি খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিজের দেশে পর্যাপ্ত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও বিদেশ থেকে আমদানি কেন করতে হবে—এ প্রশ্নে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান তিনি।
কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং একটি সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে, যার আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পুরোপুরি উৎপাদনে যেতে না পারার কারণ প্রসঙ্গে তিনি আবারও আগের সরকারের সময়কার অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেন। তবে বর্তমান সরকার তিনটি ইউনিট একসঙ্গে চালুর চেষ্টা করছে বলেও জানান তিনি।
এ সময় সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মন্ত্রী বড়পুকুরিয়া পাথর খনি ও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং বিদ্যমান সমস্যা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন।