সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিপিডিবি’র নোয়াখালীর পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. ছানা উল্লাহ। ফেনী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ কান্তি মজুমদারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ফেনী আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দীন খাঁন এবং ফেনী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি হারুন উর রশিদ।
সভায় বক্তারা বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ (সোলার) সিস্টেম স্থাপনের সুবিধা ও এর অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
সভায় জানানো হয়, ছাদের খালি জায়গায় সৌরপ্যানেল স্থাপন করে গ্রাহকরা প্রথমে নিজেদের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে পারবেন। উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে এর বিনিময়ে আয় করারও সুযোগ রয়েছে। গ্রিডে সরবরাহ করা প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বাবদ অর্জিত অর্থ প্রতি তিন মাস পরপর সরাসরি গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবে জমা হবে।
এ ছাড়া সভায় বিশেষ প্রণোদনার ঘোষণা দেওয়া হয়। আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ সিস্টেম চালু করে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করতে পারলে গ্রাহকরা ২০৩০ সাল পর্যন্ত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে প্রণোদনা দেওয়া হবে জানানো হয়।
সভায় আরও জানানো হয়, সৌরপ্যানেলের পাশাপাশি ব্যাটারি ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ চলে গেলেও ব্যাকআপ সুবিধা পাওয়া যাবে। ইচ্ছুক গ্রাহকদের তালিকাভুক্ত সৌরবিদ্যুৎ কোম্পানি নির্বাচন করে তাদের মাধ্যমে ছাদে সৌরপ্যানেল ও ব্যাটারি স্থাপন এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
সভায় ফেনী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজ’র সিনিয়র সহ-সভাপতি আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, সাবেক সহসভাপতি ফরিদ উদ্দিন পাঠান, গ্র্যান্ড হক টাওয়ারের স্বত্বাধিকারী ইমনুল হক ইমন, শহর ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য শাহ আলম রিপনসহ শহরের বিভিন্ন বিপণিবিতান ও শপিং মলের মালিক, ব্যবসায়ী এবং নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।