মানববন্ধনে বক্তব্য দেন স্থানীয় ঔষধ ব্যবসায়ী হাফিজুল ইসলাম, আব্দুস সোবহান, হেনা বেগম, মিজান শেখ, সোহেলসহ আরও অনেকে।
মানববন্ধনে ঔষধ ব্যবসায়ী হাফিজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, প্রায় দুই বছর আগে সহকারী পুলিশ সুপার রুহুল আমিনের বোনজামাই মিজান শেখের কাছ থেকে সন্ন্যাসী বাজার এলাকায় ১০ শতক জমি বায়না রেজিস্ট্রির মাধ্যমে তিনি ক্রয় করেন। পরে রুহুল আমিন সারদা থেকে প্রশিক্ষণ শেষে বাড়িতে এসে ওই জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
হাফিজুল ইসলামের দাবি, জমি ছেড়ে না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে রামপাল থানায় মামলা করা হয় এবং তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া তার চাচা আব্দুস সোবহান হাওলাদারের ক্রয় করা সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদের জন্যও ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সাইফুল ইসলাম নামে আরেক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, তার জমিও দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। জমি ছেড়ে না দিলে মামলা ও হয়রানির হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বক্তারা অভিযোগ করেন, শুধু কয়েকজন ব্যক্তি নয়, এলাকার সাধারণ মানুষকেও বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তারা এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নিরপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার রুহুল আমিন বলেন,আমার বোনের শ্বশুর বাড়ির লোকজন কোর্টে একটি মামলা করেছিল। মামলাটি কোর্টে চলমান। আমাকে কল দিয়েছিল আমি আইনি সহযোগিতা করেছি। এলাকার যে কেউ আমার কাছে সহযোগিতা চাইতে পারে। তবে আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সঠিক নয়। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্য করতে এ ধরণের মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তিনি বর্তমানে বরগুনা জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদে কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
মানববন্ধন থেকে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং হয়রানি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।