ফেনীর কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক এসএম আতিক উল্লাহ বলেন, জামশেদুর রহমান ফটিক নামের ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফেনী মডেল থানায় একটি অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলা ছিলো। তিনি ওই মামলার একমাত্র আসামী। জামিনে গিয়ে তিনি অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করে। তিনি আজ বৃহস্পতিবার সকালে ফেনীর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন শুনানী শেষে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দাগনভূঞা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুল আজিম নোমান জানান, ফটিকের বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১১টি মামলার চলমান রয়েছে।
ফেনী জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম মিলন বলেন, জামসেদুর রহমান ফটিককে ফেনী জেলা ছাত্রদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার কৃতকর্মের কোন দায়ভার দল নেবে না।
এরআগে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে কাজী জামশেদুর রহমান ফটিককে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল তাঁকে ফেনী জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করে।
ফটিক ফেনীর দাগনভূঞা অঞ্চলে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে তিনি একটি পক্ষের নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেনের গ্রুপের সাথে কাজী জামশেদুর রহমান ফটিকের অনুসারীদের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারের লড়াই রয়েছে। দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপি ও স্থানীয় রাজনীতির বিভাজনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাঁর সমর্থকদের সাথে প্রতিপক্ষ গ্রুপের বেশ কয়েকবার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।