আজ বৃহস্পতিবার (০৩ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে ভোলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমি সংবাদ মাধ্যমের ওপর কখনো হস্তক্ষেপ করি নাই। আমি বিশ্বাস করি ২০টি টিভি চ্যানেল ও হাজার হাজার পত্রিকা আপনার পক্ষে থাকলেও আল্লাহ যদি না চায় আপনি থাকতে পারবেন না। এর সবচেয়ে বড় উদহারন এই ফ্যাসিস্ট রেজিম। গত দুই বছর আগে আমরা দেখেছি যে, সব আপনার পক্ষ থাকলেও যখন সময় থাকবে না তখন কেউ আপনার পক্ষে থাকবে না। আল্লাহ যখন চাইবে না তখন মানুষের মনের মধ্যেই আপনার প্রতি ঘৃনা দিয়ে দিবে। আমার কখনো আগ্রহ ছিলো না যে, আমার পক্ষে ১০জন সাংবাদিক লিখবে বা না লিখলে আমি ফোন করে তাদের চাকরি নষ্ট করবো। আমার এই চর্চা থেকে বের হতে চাই।
সাইবার বুলিং নিয়ে তথ্য মন্ত্রী বলেন, সাইবার বুলিং একটা বড় ইস্যু, সাইবারে এ ধরনের নিউজের জন্য সংবাদের সৃজনশীলতা অনেক কমে গিয়েছে। মানুষ দেখলেই বলে এটা ফেইক নিউজ। একটি সঠিক নিউজ দেখলেও মানুষ এখন সন্দেহ প্রকাশ করেন।
পার্থ বলেন, আজকে পরিস্থিতি আলাদা, জেনারেশন আলাদা এবং মিডিয়াসহ সব কিছুই আলাদা। আপনারা যখন কলম নিবেন, লিখবেন আমাদের সমালোচনা করবেন। আমাদের কাজগুলো কোথায় কোথায় ঠিকমতো হচ্ছে সেই জিনিসগুলো দেখবেন। আমরা যেই বরাদ্দগুলো দিচ্ছি, যেই কাজগুলো করার চেষ্টা করছি এগুলো কি সততার সাথে হচ্ছে কি না সেগুলোর ব্যাপারে আমাকে জানাবেন। আমাদেরকে নিয়ে সংবাদ করবেন আমাদেরকে সাহায্য করার জন্য, যাতে করে আমার সঠিকভাবে কাজটা করতে পারি। খেয়াল রাখতে হবে ওই সংবাদের মধ্যে যাতে দূষিত কিছু না থাকে। আপনি আমাকে পছন্দ করেন না বা রাগ ও ক্ষোভ থেকে যাতে সংবাদ না হয়।
ভোলা প্রেসক্লাব সভাপতি অ্যাডভোকেট নজরুল হক অনুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন লিটনের সঞ্চলানায় আরো বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ কাওছার, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. রাইসুল আলম, জেলা বিজেপির সভাপতি মো. আমিরুল ইসলাম রতন, ইসলামী আন্দোলনের জেলা সভাপতি মাওলানা আতাউর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর জেলার পলিটিক্যাল সেক্রেটারী জিয়া উল মোরশেদ চৌধুরী, দৈনিক আজকের ভোলার সম্পাদক মু. শওকাত হোসেন, প্রবীন সাংবাদিক এম এ তাহের প্রমুখ।