আজ সকালে হাজারীবাগের মূল সড়কে বাড়ৈখালির স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ, গণ্যমান্য ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, সাধারণ এলাকাবাসী এবং নির্যাতনের শিকার এতিম শিশুদের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত ভুক্তভোগী এতিম শিশুরা তাদের ওপর ঘটে যাওয়া কথিত অমানবিক আচরণের বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে।
তাদের অভিযোগ, গলির রাস্তায় স্বাভাবিকভাবে খেলাধুলার সময় মিষ্টি জামাল তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন, গায়ে হাত তোলেন, হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেন এবং খেলাধুলার সামগ্রী ছিনিয়ে নিয়ে নিজের বাসায় আটকে রাখেন।
এলাকাবাসীর পক্ষে বক্তব্য দিতে গিয়ে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বাসিন্দারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, বাড়ৈখালি এলাকায় অসহায় ও এতিম শিশুদের জন্য যে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে উঠছে, সেখানে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
বক্তারা অভিযোগ করেন, মিষ্টি জামাল শুধু এতিম শিশুদের ওপর নির্যাতন ও তাদের খেলাধুলার সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জড়িত নন, বরং এলাকায় সন্ত্রাসী এনে প্রতিষ্ঠানের কক্ষ ভাঙচুর করেছেন এবং সার্বিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ধারাবাহিকভাবে বাধা সৃষ্টি করছেন।
তাদের দাবি, এর আগেও এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য আয়োজিত বিনামূল্যে ইফতার বিতরণ কর্মসূচিতে বাধা দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছিলেন তিনি।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আড়াল করতে এবং এলাকায় বিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিভিন্ন স্থানে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের ভাষ্য, এ ধরনের কর্মকাণ্ড এলাকাবাসীর নিরাপত্তা ও সামাজিক শান্তির জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে।
সমাবেশ থেকে বাড়ৈখালির সর্বস্তরের এলাকাবাসী প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে অভিযুক্ত মিষ্টি জামালকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি এতিম শিশুদের স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।
দাবি পূরণ না হলে এলাকার শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় স্থানীয়দের পক্ষ থেকে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন বক্তারা।