দুর্ঘটনার পর কয়েক দিন বশিরের মরদেহ আল মুলা প্লাজা পুলিশ হেডকোয়ার্টারে রাখা ছিল। পরে দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হলেও প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। এ অবস্থায় মণিপুরী মুসলিম সম্প্রদায়ের পাঙাল প্রবাসীরা এগিয়ে আসেন। তাঁরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী অর্থ দিয়ে সম্মিলিতভাবে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করেন।
জানা গেছে, ১ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে দুবাইয়ের সোনাপুর মসজিদ প্রাঙ্গণে বশিরের জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। একই দিন রাত ১১টা ৩০ মিনিটে দুবাই থেকে সিলেটের উদ্দেশে ফ্লাইট ছাড়ার কথা রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টার দিকে মরদেহ সিলেটে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর মরদেহ দেশে ফেরার খবরে স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। বশিরের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতার জন্য পাঙাল প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিপদের সময়ে একজন প্রবাসীর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে পাঙাল প্রবাসীদের এই সম্মিলিত উদ্যোগ মানবিকতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।