পরীবাগের একটি ফিলিং স্টেশনে বেলা ১১টার দিকে প্রায় ১ হাজার ১১টি যানবাহন তেল নেওয়ার জন্য লাইনে অপেক্ষা করছিল। এর মধ্যে ছিল ৫১৮টি মোটরসাইকেল এবং ৪৯৩টি প্রাইভেট কার। একই এলাকায় আরও একটি পাম্পেও সকাল ১০টার সময় ৪২২টি মোটরসাইকেল ও ৩৫৮টি প্রাইভেট কার দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ছিল।
চালকদের অভিযোগ, রাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন তেল পাওয়ার জন্য। কেউ কেউ আগের রাত ৯টা বা সাড়ে ৯টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও পরদিন সকাল-বেলা পর্যন্ত জ্বালানি পাননি। পরিস্থিতি এমন যে, অনেক চালককে নিজের গাড়ির ওপর বসে বা শুয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
একজন প্রাইভেট কার চালক জানান, জীবিকার প্রয়োজনে বাধ্য হয়েই এত দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আবার অনেকেই বলছেন, সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও পরিবারকে সময় দিতে না পেরে তারা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন।
চালকদের দাবি, সরকারি পর্যায়ে জ্বালানি সংকট নেই বলা হলেও ফিলিং স্টেশনে বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের অভিযোগ, প্রতিদিনই লাইনের দৈর্ঘ্য বাড়ছে, কমছে না।
ফিলিং স্টেশনগুলোতে এই অস্বাভাবিক চাপ ও দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কেও যানজট ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অনেকে।