পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান-এর দিকনির্দেশনায় এবং জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান শেখ-এর তত্ত্বাবধানে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের কয়েকজন আগে অবৈধভাবে ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে অবস্থান করতেন। প্রায় ৭-৮ মাস আগে তারা সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরেন। পরে আবার ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে দালাল চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
দালালরা তাদের ভারতে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় চুক্তি করে। শনিবার (৫ এপ্রিল) রাত ৩টার দিকে সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়ে গিয়ে তাদের পারাপারের বদলে কৌশলে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এ সময় এক ভিকটিমকে মারধর করে পালিয়ে যায় তারা।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে পুলিশ দালাল চক্রের দুই সদস্য ইসরাফিল হোসেন ও মো. উজ্জ্বল হোসেনকে গ্রেফতার করে।
উদ্ধার হওয়া ভুক্তভোগীরা নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার দোহা মল্লিকপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।
জীবননগর থানার ওসি মো. সোলায়মান শেখ জানান, উদ্ধারকৃতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এই ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করে, সীমান্ত এলাকায় দালাল চক্র কতটা সক্রিয় এবং অসহায় মানুষদের প্রলোভন দেখিয়ে কীভাবে প্রতারণা করছে। প্রশাসন এ ধরনের অপরাধ দমনে আরও কঠোর অবস্থানে থাকার কথা জানিয়েছে।