পুলিশ জানায়, চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে শনিবার (৬ জুন) রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে দামুড়হুদা থানা পুলিশ উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মো. আহসানুল মাহমুদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ইব্রাহিমপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. ইমরান মাহমুদ (রনি)-এর ছেলে। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে গত ৫ জুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মশাল মিছিলের ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে উপজেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলগের ব্যানারে একদল নেতাকর্মীকে মিছিল করতে দেখা যায়।
স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, মিছিলটি উপজেলা ছাত্রলীগের সেক্রেটারি সাজু আহমেদ রিংকুর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মিছিলে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দেওয়া হয় বলে ভিডিওতে দেখা যায়।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় জনমনে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেকেই প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের এমন কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
দামুড়হুদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ভাইরাল ভিডিওটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আহসানুল মাহমুদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।