স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ৯ জুলাই থেকে ইউনিয়ন পরিষদে কার্যকর কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। জন্মনিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনার প্রয়োজনীয় রেজিস্ট্রার আইডি সচল না থাকায় নতুন নিবন্ধন ও তথ্য সংশোধনসহ অধিকাংশ সেবা বন্ধ রয়েছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সেবাপ্রত্যাশীরা প্রয়োজনীয় সেবা না পেয়েই ফিরে যাচ্ছেন।
স্থানীয় সরকার বিভাগের আইন-১ শাখার আদেশ অনুযায়ী, চেয়ারম্যান জুয়েল আহমদ দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকায় ২০২৫ সালে উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তাকে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে চেয়ারম্যান হাইকোর্টে রিট করলে গত ২৭ এপ্রিল আদালত ওই আদেশ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন। এরপর নতুন করে কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ না হওয়ায় প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হয় এবং নাগরিক সেবা কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।
চেয়ারম্যান জুয়েল আহমদ বলেন, আদালতের আদেশে তাঁর চেয়ারম্যান পদ বহাল রয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের জন্য চিঠি পেলেও পরে তাঁর স্বাক্ষর ছাড়া পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনার কথা জানতে পারেন। তিনি জনদুর্ভোগ নিরসনে দ্রুত আইনানুগ সমাধানের দাবি জানান।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে জন্মনিবন্ধনসহ সব ধরনের নাগরিক সেবা পুনরায় চালুর চেষ্টা চলছে।