শুক্রবার ও আজ শনিবার (২৭ জুন) দিনভর বিএসএফ ও বিজিবি মুখোমুখি অবস্থানে ছিল।
শেষ পর্যন্ত বিএসএফ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশ অভ্যন্তরে ঠেলে পাঠাতে পারেনি। গত এক সপ্তাহ ধরে বিএসএফ বড়লেখার বোবারথল-ষাটঘরি ও আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন গ্রুপে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শূন্যরেখার ওপারে জড়ো করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। বিষয়টি বিজিবির নজরে এলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় টহল জোরদার করা হয়।
বিজিবি ও স্থানীয়দের কঠোর প্রতিরোধের মুখে বিএসএফের পুশইন প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। শনিবারও একই সীমান্ত এলাকায় পুশইনের চেষ্টা চালানো হলে বিজিবি ও স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে তা ভেস্তে যায়।
জানা গেছে, বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের আওতাধীন বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার প্রায় ১১৪ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এর প্রায় ৭০ শতাংশই বড়লেখায় অবস্থিত। এ এলাকার বেশিরভাগ অংশই দুর্গম, গভীর জঙ্গলে ঘেরা এবং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে বোবারথল, পাল্লাথল, কুমারসাইল ও বড়াইল সীমান্ত এলাকা গহীন অরণ্যে আবৃত।
বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান জানান, গত কয়েকদিন ধরে বিএসএফ বড়লেখার বোবারথল সীমান্ত দিয়ে পুশইনের চেষ্টা চালাচ্ছে। পুশইন ঠেকাতে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং স্থানীয় জনসাধারণও সহযোগিতা করছে। শনিবারও বিএসএফের একাধিক চেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।