শনিবার (১৫ আগস্ট) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে নিহতদের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। এরপর বিকেলে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।
এর আগে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালের দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের স্টেশন রোড এলাকার ফেরদৌস স্টিল শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে খোকন মিয়া সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত হলদিয়া গ্রামের রানু জোরে মিয়ার ছেলে । আর রানা মিয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলার পশ্চিম কুপতলা গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে।
খোকন মিয়ার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পরিবারের সবার ছোট খোকন। তার স্ত্রী দুই বছরের সন্তানকে নিয়ে ঢাকায় বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন। প্রায় ছয় মাস আগে খোকন চট্টগ্রামে জাহাজ কোম্পানির চাকরিতে যান।
রানার মা মনোয়ারা বেগম বলেন, পরিবারের দুঃখ কষ্ট দূর করার জন্য করার জন্যে হামার ব্যাটা চাকরিত গেছিল। টাকা কামাই ,রোজগার করে ঘর বাড়ি করবে, তাহলে আমার সংসারে আর অভাব থাকবে না। কিন্তু কপালে সইলো না। সব আশা শেষ হয়ে গেল।