এই ম্যাচটি নেইমারের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তির সোমবার দুইটি গুরুত্বপূর্ণ প্রীতি ম্যাচের জন্য দল ঘোষণা করার কথা। ম্যাচ শেষে নেইমার জানান, তিনি জাতীয় দলে ফিরতে চান, কিন্তু সিদ্ধান্ত তার হাতে নেই।
নেইমার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি জাতীয় দলে ফিরে বিশ্বকাপে খেলতে চাই, কিন্তু এটা আমার ওপর নির্ভর করে না। আমি দলে থাকি বা না থাকি, সবসময় ব্রাজিলকে সমর্থন করব।’
যুক্তরাষ্ট্রে ফ্রান্স এবং ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। এই ম্যাচ দুটিই হবে মে মাসে ঘোষিত চূড়ান্ত বিশ্বকাপ স্কোয়াডের আগে শেষ প্রস্তুতি। তাই এখানে সুযোগ পাওয়া নেইমারের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
রোববারের ম্যাচে ১৯তম মিনিটে করিন্থিয়ানসের হয়ে প্রথম গোল করেন মেমফিস দিপেই। তবে চার মিনিট পরই সান্তোসের হয়ে সমতা ফেরান গ্যাব্রিয়েল বারবোসা। ম্যাচে নেইমারের সেরা সুযোগটি আসে দ্বিতীয়ার্ধে একটি হেড থেকে, যা অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়। পুরো ম্যাচে তিনি পায়ে বল নিয়ে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেননি এবং গোলের দিকে কোনো শটও নিতে পারেননি।
ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের দুই কর্মকর্তা এই ম্যাচটি সরাসরি গ্যালারি থেকে দেখেছেন বলে সান্তোস ক্লাব জানিয়েছে।
কোচ আনচেলোত্তি আগেই বলেছেন, আসন্ন বিশ্বকাপে তিনি শুধুমাত্র শতভাগ ফিট খেলোয়াড়দেরই দলে নেবেন। তবে তিনি এটাও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে কিছু খেলোয়াড়কে পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। তাতে নেইমারের জন্য এখনও কিছুটা আশা বেঁচে আছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবরে নেইমার গুরুতর এসিএল চোটে পড়েন এবং গত ডিসেম্বর আবার হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করাতে হয়। চলতি বছরে তিনি সান্তোসের হয়ে ১০টিরও কম ম্যাচ খেলেছেন, যদিও মাঝে মাঝে তার পুরোনো ফর্মের ঝলক দেখা গেছে। বলে রাখা ভালো, ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারের ঝুলিতে রয়েছে ৭৯টি আন্তর্জাতিক গোল।