বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদের দায়িত্বে থাকা এই কোচ জানিয়েছেন, ক্লাবের স্বার্থেই তিনি এমনটা চান। আগামী মৌসুমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে স্প্যানিশ ক্লাবটির কোচের দায়িত্ব নেবেন। সেই কারণে বিশ্বকাপে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়রা যত দ্রুত সম্ভব ফিরে এলে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতিতে সুবিধা হবে বলে মনে করেন তিনি।
একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে বিশ্বকাপ সম্পর্কে নিজের মতামত দিতে গিয়ে মরিনিও বলেন, ‘আপনি সত্যি জানতে চান? আমি চাই রিয়াল মাদ্রিদের ফুটবলারদের দল দ্রুত বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিক। ওরা ছুটি কাটাতে চলে যাক। তা হলে প্রাক-মৌসুমের প্রস্তুতিতে ওদের তরতাজা পাওয়া যাবে।’
রিয়াল মাদ্রিদের মোট ১০ জন ফুটবলার এবারের বিশ্বকাপে বিভিন্ন দেশের হয়ে খেলছেন, যারা আটটি ভিন্ন দলে প্রতিনিধিত্ব করছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও এন্ড্রিক, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে ও অরেলিয়াঁ চুয়ামেনি, ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম, জার্মানির আন্তোনিও রুডিগার, বেলজিয়ামের থিবো কর্তোয়া, উরুগুয়ের ফেদেরিকো ভালভার্দে, অস্ট্রিয়ার ডেভিড আলাবা এবং তুরস্কের আর্দা গুলের।
মরিনিও জানান, গ্রুপ পর্বে তিনি খুব কম ম্যাচই দেখেছেন এবং মূলত নকআউট পর্ব থেকেই বেশি মনোযোগ দেবেন। তার মতে, বিশ্বকাপ হলো সর্বোচ্চ মানের টুর্নামেন্ট, তাই এখানে বড় ব্যবধানের একপেশে ম্যাচ দেখা উচিত নয়। তিনি আশা করেন, নকআউট পর্ব থেকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই দেখা যাবে।
পর্তুগালের সাবেক কোচ হিসেবে তিনি স্বাভাবিকভাবেই নিজের দেশকে ফাইনালে দেখতে চান। পাশাপাশি ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্সেরও প্রশংসা করেছেন তিনি। এই কোচের মতে, চাপের মধ্যে থেকেও ইংল্যান্ড ভালো খেলছে এবং তাদেরও ফাইনালে ওঠার যোগ্যতা রয়েছে।