দুই বছরেরও বেশি সময় পর ‘হলুদ জার্সি’ গায়ে জড়িয়ে নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি পরে মাঠে নামা কিছুটা হলেও ম্লান হয়ে গেছে। দলের একজন অন্যতম নেতা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন ভিনিসিয়ুস। তিনি স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
প্রকৃতপক্ষে ভিনিসিয়ুসের গোল হয়েছিল তিনটি। কিন্তু তার মধ্যে একটি গোল ‘অন্যায়ভাবে’ বাতিল করে দেওয়া হয়। তবে কোনো কিছুই তার জ্বলে ওঠার দৃঢ় সংকল্পকে নাড়াতে পারেনি। গোলের পাশাপাশি ড্রিবলিং এবং উইং ও মাঝমাঠ থেকে অনবরত আক্রমণভাগে সচল ছিলেন তিনি।
রাফিনিয়ার বদলে রায়ান ডানপ্রান্তে রায়ান নিজেকে চিনিয়েছেন। প্রথম গোলেই ছিল তার অবদান। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার বল ক্লিয়ার করতে গেলে তার পায়ে লেগে ভিনিসিয়ুসের সামনে পড়ে। তারপর যা হওয়ার তাই হলো, ফাঁকা গোলপোস্টে জালে বল জড়ালেন। এই ম্যাচে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে শুরুর একাদশে নামেন ১৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। তরুণ এই ফুটবলারের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘রায়ান আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই দিকেই অসাধারণ কাজ করেছে। বয়স কম হলেও তার মধ্যে দারুণ পরিণতিবোধ আছে। সে কঠোর পরিশ্রম করে, গুণও আছে। সত্যি বলতে, তার সামর্থ্যের শেষ কোথায়, সেটা কেউ জানে না।’