এএফসি সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফাকে লেখা চিঠিতে আল-থানি স্পষ্ট জানান, এএফসি-র ৪৭টি সদস্য দেশের কারও সাথেই আগাম আলোচনা না করে বা খসড়া না পাঠিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা ও বিশ্বকাপের বাণিজ্যাক অধিকারের ২০ শতাংশ একটি ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারী সংস্থার কাছে বিক্রি করে প্রায় ৪.২ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের প্রস্তাব দেন। এই প্রস্তাবকে কেন্দ্র করেই তার বিরুদ্ধে সরব হয় ফুটবল কনফেডারেশনগুলো।
ইনফান্তিনো ইতোমধ্যেই তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলেও ইউরো ও এশিয়ান ফুটবলের এই যৌথ অবস্থানের বিরোধিতা করেছে কাতার। কাতারসহ ছয়টি আরব ফুটবল সংস্থা প্রকাশ্যে ইনফান্তিনোর পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে।
কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হামাদ বিন খলিফা আল-থানি বলেন, ‘সবার মতামত পাওয়ার পর যৌথ সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়। কিন্তু নিজের ইচ্ছেমতো ঘোষণা দিয়ে সবার মতামত চাপিয়ে দেওয়া যায় না।’
ইনফান্তিনো আগামী বছরের নির্বাচনে পুনরায় জয়ের লক্ষ্যে লড়ছেন। এই সংকটময় মুহূর্তে এএফসির অভ্যন্তরীণ বিরোধ ফুটবল বিশ্বের নেতৃত্ব ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে এক নতুন মাত্রা যোগ করল।