ইএসপিএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলাবিধিতে অনুমতি ছাড়া জাতীয় দলের ক্যাম্পে অনুপস্থিত থাকার জন্য এক থেকে ছয় মাস পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে। পাশাপাশি পেশাদার খেলোয়াড়কে ৫০০ থেকে ১ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানাও করা হতে পারে।
কোপেনহেগেনে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান কোচ হোর্হে জেসুস জানান, দল নির্বাচন করেন তিনি নিজেই। রোনালদোকে তিনি আগেই জানিয়েছিলেন, ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুর একাদশে থাকছেন না তিনি। তবে বদলি হিসেবে মাঠে নামার সুযোগ থাকবে।
এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বুধবার পারকেন স্টেডিয়ামে দলের অনুশীলনেও অংশ নেননি রোনালদো। পরে কোচের সঙ্গে তাঁর উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। এর পরই ক্যাম্প ছাড়েন তিনি। পরে পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি পেদ্রো প্রোয়েন্সার সঙ্গে বৈঠক করেন রোনালদো।
এর আগে মঙ্গলবারও অনুশীলনে ছিলেন না পর্তুগালের অধিনায়ক। পরবর্তী সময়ে দলের অনুশীলনসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, অনুশীলনে ফিরেছেন জোয়াও ফেলিক্স। অন্যদিকে বৃহস্পতিবারের ম্যাচে খেলতে না পারা ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও এবং রোনালদো অনুশীলনে ছিলেন না।
রোনালদোর অনুপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ায় বৃহস্পতিবার কোপেনহেগেনে ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচে তাঁকে ছাড়াই মাঠে নামবে পর্তুগাল। এরপর রোববার নেশনস লিগে নরওয়ের বিপক্ষে খেলবে দলটি।
দুই ম্যাচের এই সূচিতে পর্তুগালের সর্বোচ্চ গোলদাতা রোনালদোকে ছাড়াই দল সামলাতে হবে কোচ জেসুসকে। একই সঙ্গে ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার ঘটনায় রোনালদোর বিরুদ্ধে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে কি না, সেটিও বিবেচনা করছে পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন।