অবশ্য নতুন এই পরিকল্পনা কতটা সফল হবে, তা নিয়ে এখনই নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না বিসিবি সভাপতি। ব্যর্থতাকে ভয় না পেয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তামিম, ‘এই একটা বিষয়ে আমি এবং আমার বোর্ড সম্পূর্ণভাবে বিশ্বাস করি, আমরা চেষ্টা করতেই থাকবো। আমি জানি না সফল হবো কি না। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত, আমি এবং আমার বোর্ড ব্যর্থতাকে ভয় পাই না।’
ব্যর্থতা এলেও আবার শিক্ষা নিয়ে কাজ করার কথা জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি, ‘আমরা চেষ্টা করতেই থাকবো, করতেই থাকবো। ব্যর্থতা যদি হয়, সেটা থেকে শিখবো, আবার করতে থাকবো। এটাই আমার বোর্ড এবং আমার বোর্ড সদস্যদের মূলমন্ত্র।’
ঘরোয়া ক্রিকেটের হারানো রঙ ও আগ্রহ ফিরিয়ে আনাই লক্ষ্য তামিমের, ‘আমি নিশ্চিত, ধাপে ধাপে আপনারা সবাই অনেক কিছু জানতে পারবেন। অনেক কিছু আছে, কিছু চমকও আছে। কিন্তু এর মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশি ঘরোয়া ক্রিকেটে আবার সেই রঙ ফিরিয়ে আনা। এবং আমি বেশ নিশ্চিত, এই জায়গা থেকে আমরা এই বিষয়টা করতে পারবো।’
সময়ের সঙ্গে এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন আনবে বিশ্বাস তামিমের, ‘প্রত্যেকটা দলে যে নির্বাচন হবে, যে দলে তিনটা বছর করে এই দলের সঙ্গে থাকতে পারবে। এখানে অভ্যন্তরীণ খেলোয়াড় বদলি ব্যবস্থা থাকবে, খেলোয়াড় ছাড়ার ব্যবস্থা থাকবে, ছোট নিলাম থাকবে। আরও অনেক অনেক কিছু থাকবে। আমি নিশ্চিত, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আপনারা সবকিছু জানতে পারবেন এবং আমি আন্তরিকভাবে আশা করি যে এটা অবশ্যই বাংলাদেশি ঘরোয়া ক্রিকেটকে বদলে দেবে।’