মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে কোন এক সময় ট্রলারে থাকা অন্য জেলেদের অগোচরে ট্রলার থেকে পড়ে যায়।
নিখোঁজ শাহিন বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের দক্ষিণ চরদুয়ানী এলাকার ফুল মিয়ার মালিকানাধীন এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারে ছিলেন।
নিখোঁজ শাহিনের বাবার নাম আলম মিয়া। তাঁর বাড়ি মঠবাড়িয়া উপজেলার শাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া এলাকায়।
জানা গেছে, ট্রলারটিতে মোট দশজন জেলে ছিলেন। বঙ্গোপসাগরের মোহনা এলাকায় অবস্থানকালে হঠাৎ ট্রলার থেকে পড়ে যান শাহিন। এরপর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সকালে ট্রলারে থাকা অন্য জেলেরা তাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। এ ঘটনার পর খবর পেয়ে স্বজনেরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন এবং দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে শাহিনকে উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
এফবি মায়ের দোয়া ট্রলটির মালিক ফুল মিয়া। তাঁর বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের দক্ষিণ চরদুয়ানী এলাকায়।
নিখোঁজ শাহিনের স্বজনরা জানান, সাগরে পড়ে যাওয়ার পর থেকে তাঁর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাঁকে জীবিত উদ্ধারের আশায় পরিবারের সদস্যরা অপেক্ষা করছেন।
ট্রলার মালিক ও মাঝি ফুল মিয়া জানান, রাতে জাল ফেলে ট্রলারে থাকা সবাই ঘুমিয়ে পড়ে। সকালে জাল টানার সময় হলে সবাইকে ডাকাডাকি করলে শাহিনকে পাওয়া যায়নি। ধারনা করা হচ্ছে ট্রলার থেকে পড়ে যায় শাহিন।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে জেলেদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। নিখোঁজের খবর আমরা পেয়েছি। খোঁজখবর নিচ্ছি।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের পাথরঘাটা স্টেশনের কমান্ডারের সরকারি ফোনে কল দিলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
তবে এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবদুল আলীম বলেন, এ রকমের আমরা জানতে পেরেছি। যেহেতু নিখোঁজ জেলের বাড়ি মঠবাড়িয়া উপজেলায় আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি।