বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশ ভারত সফরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে আইসিসি তাদের টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেয় এবং গ্রুপ ‘সি’-তে তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পাকিস্তান প্রথমে ২০ দলের এই টুর্নামেন্ট বয়কট করার ঘোষণা দেয় এবং অভিযোগ তোলে যে আইসিসি বাংলাদেশের প্রতি ‘অন্যায়’ আচরণ করেছে। পরে পাকিস্তান জানায়, তারা টুর্নামেন্টে অংশ নেবে ঠিকই, তবে কলম্বোতে অনুষ্ঠিতব্য গ্রুপপর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে না।
তবে কয়েক দিন নানা দেন-দরবারের পর পাকিস্তান তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে। আইসিসি নিশ্চিত করে, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেয়ার কারণে বাংলাদেশের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না। পাশাপাশি ভবিষ্যতে একটি আইসিসি ইভেন্ট; সম্ভবত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আয়োজকের দায়িত্বও বাংলাদেশকে দেয়া হবে।
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার কয়েক দিন পর এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জয় শাহ এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘এই আইসিসি বিশ্বকাপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ টুর্নামেন্ট শুরুর আগে অনেক আলোচনা হচ্ছিল; কিছু দল অংশ নেবে কি না এবং বিশ্বকাপ আদৌ কীভাবে এগোবে। আইসিসির চেয়ারম্যান হিসেবে আমি বলতে পারি, কোনো দলই সংগঠনের চেয়ে বড় নয় এবং একটি দল দিয়ে কোনো সংগঠন তৈরি হয় না। সব দলের সমন্বয়েই একটি সংগঠন গড়ে ওঠে।’
তিনি আরও জানান, এবারের বিশ্বকাপ দর্শকসংখ্যার সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। তার ভাষ্য, ‘এই বিশ্বকাপ সব ধরনের ভিউয়ারশিপ রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ইতিহাসে প্রথমবার আমরা ৭.২ মিলিয়ন একযোগে দর্শক পেয়েছি। মোট দর্শকসংখ্যার ক্ষেত্রেও সব রেকর্ড ভেঙে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে কঠিন লড়াই দিয়েছে, নেদারল্যান্ডস পাকিস্তানকে চাপে ফেলেছে, জিম্বাবুয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে এবং নেপাল ইংল্যান্ডকে দারুণ চ্যালেঞ্জ দিয়েছে। অ্যাসোসিয়েট দলগুলো অসাধারণ খেলেছে; আমি তাদের অভিনন্দন জানাই।’