নিহত আরিফ বগুড়া সদর উপজেলার গোদাপাড়া গ্রামের বুলবুলের ছেলে। কারাগারের নথিতে তাঁর হাজতি নম্বর ৫০১৬/২৬ উল্লেখ রয়েছে।
কারাগার সূত্র জানায়, বগুড়া সদর থানার একটি চুরি মামলায় গত ৯ জুলাই আরিফকে বিচারাধীন হাজতি হিসেবে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিবাগত রাত প্রায় পৌনে ২টার দিকে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে কারা কর্তৃপক্ষ দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে শজিমেক হাসপাতালে পাঠায়। রাত ২টা ২৫ মিনিটে হাসপাতালের প্রিজন সেলে ভর্তি করা হলেও চিকিৎসকদের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও রাত ২টা ৪৫ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়।
কারা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আরিফের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৫৭/৩৮০ ধারায় একটি চুরি মামলার বিচার চলছিল। হাসপাতালের মৃত্যুসনদে তাঁর মৃত্যুর কারণ হিসেবে ‘কার্ডিয়াক অ্যাটাক’ বা হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন ধরে ব্রংকাইটিসে ভুগছিলেন বলেও কারাগার সূত্র জানিয়েছে।
বগুড়া জেলা কারাগারের জেলার নূরুল মুবীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “রাতে অসুস্থ হয়ে পড়ার পরপরই আরিফকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।”
এদিকে, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমাদ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছেন। প্রয়োজনীয় ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।
কারাগারে থাকা অবস্থায় একজন বিচারাধীন হাজতির এই মৃত্যু নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।