শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে বশির উদ্দিনকে আসামি করে তালতলী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
এর আগে সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের নলবুনিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত বশির উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের মরানিদ্রা এলাকার নয়া মিয়া হাওলাদারের ছেলে।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে বশির উদ্দিন বাঁশ কেনার অজুহাতে ভুক্তভোগী নারীর বাড়িতে যান। তিনি বাঁশ পছন্দ করার কথা বলে পাশের একটি বাড়িতে ঘুরেন এবং পুনরায় ওই নারীর বাড়িতে এসে বারান্দায় বসেন। বাঁশ কাটার জন্য তিনি ওই নারীর কাছে একটি দা চান। নারী ঘরে থাকা দা এনে দিলে, বশির অজুহাত দেখান যে, এ দা দিয়ে বাঁশ কাটা যাবে না। এরপর তিনি কৌশলে ঘরে থাকা ভুক্তভোগীর নাতিকে পাশের বাড়ি থেকে অন্য একটি দা আনতে পাঠান।
এসময় বাড়ি জনশূন্য হওয়ার সুযোগে বশির উদ্দিন ঘরে ঢুকে ওই নারীকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। নারীর ডাক-চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে বশির দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে ধাওয়া করে আটক করে এবং একটি গাছের সাথে বেঁধে গণধোলাই দেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করেন।
এ বিষয়ে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, "খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত মো. বশির উদ্দিনকে আটক করে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী নারী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।"