সকাল থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাসে সৃষ্টি হয় প্রাণবন্ত পরিবেশ। কর্মক্ষেত্রের আনুষ্ঠানিকতার বাইরে গিয়ে সবাই মেতে ওঠেন আনন্দ ও বিনোদনের নানা আয়োজনে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার এম এ গোলাম দস্তগীর, উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, রেজিস্ট্রার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. মাহবুবুল হক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক (পিআর) সোহেল আহসান নিপু এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক বিভাগের প্রধান ও কর্মকর্তারা।
দিনব্যাপী আয়োজনে ছিল আনন্দঘন ও বন্ধুত্বপূর্ণ শর্টপিচ ক্রিকেট ম্যাচ, মিউজিক্যাল চেয়ার, পেনাল্টি শুট, হাঁড়ি ভাঙা, ক্যারাম প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন খেলাধুলা ও বিনোদনমূলক আয়োজন। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রতিটি আয়োজনই পরিণত হয় আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের উপলক্ষে।
অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি আমাদের সবার একটি পরিবার। একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের পেছনে শুধু একাডেমিক কার্যক্রম নয়, এর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক মানুষের আন্তরিকতা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সুসম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফ্যামিলি ডে’র মতো আয়োজন আমাদের সেই পারিবারিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।’
তিনি আরও বলেন, কর্মব্যস্ততার বাইরে সবাই যখন একসঙ্গে আনন্দ করেন, তখন পারস্পরিক দূরত্ব কমে এবং সহকর্মীদের মধ্যে আন্তরিকতা ও সম্প্রীতি বাড়ে। এর ইতিবাচক প্রভাব কর্মক্ষেত্রেও পড়ে। এ আয়োজন সবাইকে নতুন উদ্যমে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ফ্যামিলি ডে উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করেন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে দেখা যায় উৎসাহ-উদ্দীপনা। সহকর্মীদের করতালি ও উৎসাহে মুখর হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।
দিনব্যাপী এ আয়োজন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্প্রীতি ও দলগত চেতনা জোরদারে ‘ফ্যামিলি ডে ২০২৬’ একটি আনন্দঘন ও স্মরণীয় আয়োজন হিসেবে সবার মধ্যে সাড়া ফেলে।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় র্যাফেল ড্র। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এ আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।