সৈকতে পর্যটকদের ভিড় বাড়লেও এখনো টাঙানো রয়েছে লাল পতাকা। সমুদ্রে গোসল করতে নেমে দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন লাইফগার্ড সদস্যরা। বিশেষ করে কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে পর্যটকদের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করছেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় বিকেল থেকে সৈকতে মানুষের ভিড় বেড়েছে। পর্যটকদের পাশাপাশি স্থানীয় অনেক মানুষও সৈকতে ঘুরতে আসছেন। আবহাওয়া ভালো হতে শুরু করায় সৈকতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে।”
স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল আহমদ বলেন, “কক্সবাজারের সৈকত পর্যটকদের কাছে সব সময়ই আকর্ষণীয়। ছুটির দিনে পর্যটকদের এমন উপস্থিতি দেখে ভালো লাগছে। তবে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বিশেষ করে লাল পতাকা টাঙানো থাকলে সমুদ্রে নামার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।”
লাইফগার্ড সদস্য রশিদ আহমদ বলেন, “সমুদ্রের পরিস্থিতি ভালো আছে। তবুও সতর্কতার অংশ হিসেবে লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে। পর্যটকেরা পানিতে নামার পর যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে, সে জন্য কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে আমরা দায়িত্ব পালন করছি।”
শুক্রবার বিকেলে সৈকতে আসা পর্যটকদের কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে, কেউবা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান। সমুদ্রের ঢেউ উপভোগ করার পাশাপাশি ছবি তুলে ছুটির দিনের মুহূর্ত স্মরণীয় করে রাখছেন অনেকে।
পর্যটক সালসাবিল সাবিলা বলেন, “অনেক দিন পর কক্সবাজারে ঘুরতে এসেছি। আবহাওয়া আগের চেয়ে ভালো হওয়ায় সৈকতে এসে বেশ ভালো লাগছে। সমুদ্রের ঢেউ উপভোগ করছি, পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সুন্দর সময় কাটাচ্ছি।”
শহরের প্রধান সৈকত পয়েন্টগুলোর পাশাপাশি মেরিন ড্রাইভ সড়ক, হিমছড়ি, ইনানী ও পাটুয়ারটেক সৈকতেও পর্যটকদের উপস্থিতি দেখা গেছে। এসব পর্যটনকেন্দ্রে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে সৈকতে পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়লেও সমুদ্রে গোসলের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি লাইফগার্ড সদস্যদের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।