পিএসজি-বায়ার্ন মধ্যকার ৯ গোলের ম্যাচটিতে হয়েছে এক অনন্য রেকর্ড। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের এক লেগে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এটি। আর ইউরোপিয়ান কাপ যুগ হিসাবে করলে এটি যৌথভাবে সর্বোচ্চ। এর আগে ১৯৫৯-৬০ মৌসুমে আইট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট এবং রেঞ্জার্স মধ্যকার সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগেও হয়েছিল ৯ গোল। সেখানে রেঞ্জার্স জিতেছিল ৬-৩ ব্যবধানে।
পার্ক দেস প্রিন্সে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ১৭তম মিনিটে বায়ার্ন মিউনিখের লুইস দিয়াজকে বক্সে ফাউল করেন পিএসজির ডিফেন্ডার পাচো। পেনাল্টি থেকে গোল করতে কোনো ভুল করেননি হ্যারি কেন। এটি চলতি মৌসুমে তার ৫৪তম গোল। তবে লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি বায়ার্ন। মাঝমাঠ থেকে পাওয়া বল বায়ার্ন রক্ষণ ভেদ করে দারুণ এক গোলে পিএসজিকে সমতায় ফেরান কাভারাৎসখেলিয়া।
এরপর ম্যাচের ৩৩তম মিনিটে পিএসজিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন জোয়াও নেভেস। ওসমানে দেম্বেলের পাস থেকে আসা বল হেড করে বায়ার্নের জালে বল জড়ান তিনি। খানিক পরেই ব্যবধান ২-২ করেন বায়ার্ন তারকা মাইকেল ওলিসে। প্রথমার্ধের একেবারে শেষে ড্যানি গিবসনের হ্যান্ডবলের সুবাদে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করে পিএসজিকে ৩-২ এ এগিয়ে দেন ওসমানে দেম্বেলে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা ছিল পুরোপুরি পিএসজির। কাভারাৎসখেলিয়া এবং দেম্বেলে যেন বায়ার্ন রক্ষণ নিয়ে ছেলেখেলায় মেতেছিলেন। ৫৬তম মিনিটে আশরাফ হাকিমির পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন জর্জিয়ান ফরোয়ার্ড কাভারাৎসখেলিয়া। এর কিছুক্ষণ পরেই ম্যানুয়েল নয়্যারকে বোকা বানিয়ে দেম্বেলে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন। ফলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৫-২।
তিন গোলে পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি ভিনসেন্ট কোম্পানির শিষ্যরা। কিমিচের ফ্রি-কিক থেকে উপামেকানোর হেডে একটি গোল পায় বায়ার্ন। আর ম্যাচের ৮১তম মিনিটে লুইস দিয়াজের একক নৈপুণ্যে করা গোলটি ম্যাচটিকে আবার প্রাণবন্ত করে তোলে। তবে শেষ পর্যন্ত ব্যবধান কমালেও হার ঠেকাতে পারেনি সফরকারীরা। ম্যাচটি শেষ হয় ৫-৪ গোল ব্যবধানে।