চিফ হুইপ বলেন, ১৬ জুন থেকে বাজেট আলোচনা শুরু হবে। সেদিন থেকে সকাল বিকাল সংসদ অধিবেশন হতে পারে। ৩০ তারিখের মধ্যে বাজেট পাস করতেই হবে। এরপর প্রেসিডেন্টের কাছে স্বাক্ষরের জন্য পাঠানো হবে। বাজেটের নিয়ম গেজেট হতে হবে রাত ১২টার আগে।
তিনি বলেন, ৩০ লাখ কোটি টাকা ঘাটতি নিয়ে এ সরকার যাত্রা শুরু করেছে। কিন্তু এ সরকারের আন্তরিকতা এবং চুরি না করার কারণে দেশে একটি নরমাল অবস্থা আছে। চুরি-দুর্নীতি বন্ধ করা নিয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। আমলাতন্ত্রের কারণে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হই সবসময়। সবাই আটকা পড়ে আমলাতন্ত্রে। মানুষ যেন নির্বিঘ্নে সব কাজ করতে পারে সে চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, সংসদীয় দলের সভায় মন্ত্রণালয়গুলোর কাজের অগ্রগতি এবং ১২০ দিনে কী কী কাজ করা হয়েছে সেগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি জানান, যে শিক্ষা কাজ শেখাবে এবং সত্যিকার অর্থেই শিক্ষিত করবে এমন কারিকুলাম চালু করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতের মিড-ডে মিল চালু করারও নির্দেশনা দেন।
হাম ও ডেঙ্গু নিয়ে আলোচনা হয়েছে এ সভায়। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে কার্যক্রম গ্রহণ করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এক হাজার শয্যার হাসপাতাল নিয়ে চীনের সঙ্গে পাঁচটি চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে কমপক্ষে একটি হাসপাতাল হবে শুধু নারী ও শিশুদের জন্য।
নুরুল ইসলাম মনি জানান, গণমানুষের কল্যাণ ও মঙ্গল এ সরকারের মূল লক্ষ্য। সাবলম্বী করতে যে কাজ করা প্রয়োজন, তা করা হচ্ছে। ১ লাখ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে তেল আনার জন্য।
জাতিসংঘের অধিবেশনে সভাপতি হয়েছে বাংলাদেশ। এটি দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং কূটনৈতিক সাফল্য প্রমাণ করে বলেও জানান চিফ হুইপ। তিনি জানান, দেশে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে। রামিসা হত্যার মামলার রায় আগামীকাল (৭ জুন) হবে।
দেশে চাঁদাবাজ-মাদকের কোনো জায়গা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে বা যারা এমন কার্যক্রম করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে, খুব শিগগিরই সেটি দেখতে পাবেন। দলের হলেও কোনো মাফ হবে না। প্রধানমন্ত্রীও এতে সায় দিয়েছেন। সব ধরনের ক্রাইম বিশেষ করে জুয়া বন্ধে কার্যক্রম নেয়া হচ্ছে। নির্বাচনি এলাকায় সরকারপ্রণীত কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না সেদিকে দৃষ্টি রাখতে সতর্ক থাকার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
নুরুল ইসলাম মনি জানান, সংবিধান সংশোধনে একটি কমিটি করার চেষ্টা করছি। যুগোপযোগী করতে এবং মানুষের চাহিদা পূরণে সংবিধান সংশোধন করা হয়। সংবিধান সংশোধন ছাড়া কোনো পথ নেই, সেকারণেই বিরোধী দল কমিটিতে নাম দেবে বলে বিশ্বাস।
মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংসদীয় পদ্ধতির সরকারে মন্ত্রী নানা কারণে পদত্যাগ করতে পারেন। স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন দীপেন দেয়ান।