মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Channel18

সারা দেশ

১০ হাজার মানুষের জন্য স্বাস্থ্যকর্মী মাত্র ১৫

১০ হাজার মানুষের জন্য স্বাস্থ্যকর্মী মাত্র ১৫

হাসপাতালে রোগীর ভিড়, চিকিৎসকের হাতে সময় কম, নার্সদের সামলাতে হচ্ছে বাড়তি চাপ। দেশের স্বাস্থ্যসেবায় এমন চিত্রের পেছনে বড় কারণ জনবলের ঘাটতি। বাংলাদেশে প্রতি ১০ হাজার মানুষের জন্য চিকিৎসক, নার্স ও মিডওয়াইফারি (ধাত্রী) আছেন মাত্র ১৫ জন।

অথচ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী, এ সংখ্যা হওয়া প্রয়োজন ৪৪ দশমিক ৫।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য বলছে, বর্তমানে যে হারে প্রশিক্ষণ ও নিয়োগ চলছে, তাতে ২০৩০ সালেও প্রতি ১০ হাজার মানুষের জন্য স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন ৩১ দশমিক ৭৭ জন। অর্থাৎ, তখনও প্রয়োজনের তুলনায় প্রায় ১৩ স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি থাকবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে শুধু চিকিৎসক নিয়োগ দিলেই হবে না। চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফারি এবং পরীক্ষাগার ও রোগ নির্ণয়ের কাজে যুক্ত অন্যান্য কর্মীর সংখ্যার মধ্যেও ভারসাম্য থাকতে হবে।

প্রস্তাবিত অনুপাত অনুযায়ী, একজন চিকিৎসকের বিপরীতে তিনজন নার্স ও মিডওয়াইফারি এবং পাঁচজন অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী থাকা প্রয়োজন।

কিন্তু বাংলাদেশে একজন চিকিৎসকের বিপরীতে নার্স ও মিডওয়াইফারির সংখ্যা একজনেরও কম। অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যাও দুইজনের কম।

গত কয়েক বছরে স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা বাড়লেও রোগীর চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না। আবার সব ধরনের স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যাও সমান হারে বাড়ছে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে অসংক্রামক রোগের প্রকোপ বাড়ায় স্বাস্থ্যকর্মীর প্রয়োজনও বাড়ছে। ক্যানসার, ডায়াবেটিস ও হৃদ্‌রোগের মতো অসুখে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিতে হয়।

এর পাশাপাশি মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, হাম ও যক্ষ্মার মতো সংক্রামক রোগ মোকাবিলা এবং ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। ডেঙ্গুতে প্রতিবছর হাজারো রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ বিভাগের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ বলেন, ‘জনসংখ্যা বেশি হলে এবং রোগের প্রকোপ বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই স্বাস্থ্যকর্মীর প্রয়োজন বাড়বে। পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী না থাকলে মানসম্মত সেবা দেওয়া সম্ভব নয়।’

হাসপাতালে অতিরিক্ত রোগীর চাপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ২৪ জন রোগীর জন্য তৈরি ওয়ার্ডে কখনো কখনো ৪৮ জন বা তারও বেশি রোগী থাকেন। অথচ সেখানে নার্সের সংখ্যা খুবই কম।

একজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসককে দিনে ১০০ থেকে ১৫০ জন বহির্বিভাগের রোগী দেখতে হয়। ফলে প্রত্যেক রোগীর জন্য সময় মেলে মাত্র কয়েক মিনিট।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংকটও প্রকট। তাদের দেখাতে অনেক রোগীকে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয়। কোনো কোনো বিশেষজ্ঞকে দিনে শতাধিক রোগী দেখতে হয়, কাজ করতে হয় রাত পর্যন্ত।

বে-নজির আহমেদ বলেন, ‘এসব পরিস্থিতিতে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া সম্ভব নয়।’

সরকার পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। তবে বে-নজির আহমেদ বলেন, এত দিন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার চেয়ে তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘নার্স, অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী ও সহায়ক কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি চিকিৎসার সরঞ্জাম, শয্যা এবং তাদের কাজের জায়গার ব্যবস্থাও করতে হবে। সবকিছুর পরিকল্পনা একসঙ্গে করে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। শুধু চিকিৎসক বা শয্যার সংখ্যা বাড়ালে স্বাস্থ্যসেবায় প্রত্যাশিত উন্নতি আসবে না।’

সর্বশেষ তথ্য কী বলছে?
২০২৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে নিবন্ধিত এমবিবিএস চিকিৎসকের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ৭০০। তাদের মধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ১৯৪ জনকে কর্মক্ষেত্রে কাজের জন্য পাওয়া যাচ্ছিল। ২০১৯ সালের তুলনায় উভয় সংখ্যা প্রায় ৫১ শতাংশ বেশি।

একই সময়ে নিবন্ধিত নার্সের সংখ্যাও প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ১ লাখ ৭ হাজার ৪৭-এ দাঁড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ‘হিউম্যান রিসোর্সেস ফর হেলথ ডেটা শিট ২০২৫’-এর তথ্য অনুযায়ী, গত বছর প্রতি ১০ হাজার মানুষের বিপরীতে চিকিৎসক, নার্স ও মিডওয়াইফারির সম্মিলিত সংখ্যা ছিল ১৫ দশমিক ১৬। ২০১৯ সালে এ সংখ্যা ছিল ৮ দশমিক ৩।

সংখ্যা বাড়লেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত মান থেকে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে। ২০১৬ সালে সংস্থাটির ‘ওয়ার্কফোর্স ২০৩০’ কৌশলপত্রে প্রতি ১০ হাজার মানুষের জন্য ৪৪ দশমিক ৫ জন স্বাস্থ্যকর্মীর মান নির্ধারণ করা হয়।

স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগে ভারসাম্য নেই
সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে জনবল নিয়োগেও ভারসাম্যের অভাব রয়েছে। বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতিও এ ক্ষেত্রে স্পষ্ট।

গত বছর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে (ডিজিএইচএস) চিকিৎসকদের জন্য অনুমোদিত পদ ছিল ৩৮ হাজার ২৫৫টি। অন্যদিকে, নার্স ও মিডওয়াইফারিদের জন্য নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরে (ডিজিএনএম) অনুমোদিত পদ ছিল ৫০ হাজার ৮২৫টি।

তবে চিকিৎসকের বিপরীতে তিনজন নার্স ও মিডওয়াইফারি রাখার প্রস্তাবিত অনুপাতের সঙ্গে বাস্তবতার বড় ব্যবধান রয়েছে।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরসহ অন্যান্য সরকারি সংস্থাও চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়।

বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব আসাদুজ্জামান জুয়েল বলেন, অতীতে স্বাস্থ্যকর্মীর সংকট দেখা দিলে মূলত চিকিৎসক নিয়োগের ওপরই জোর দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর মধ্যে ভারসাম্য রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি।

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমরা সমন্বিতভাবে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু পরপর কয়েকটি সরকারই এ দাবিতে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি।’

বর্তমান সরকারও এর ব্যতিক্রম নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষ্য, সরকার পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ নিলেও নার্স নিয়োগে এ ধরনের উদ্যোগ নেই।

জনবল কম থাকায় সরকারি হাসপাতালের নার্সদের অতিরিক্ত কাজ করতে হচ্ছে। এতে রোগীদের মানসম্মত সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।

অথচ স্বাস্থ্যব্যবস্থার দুর্বলতা ও ব্যবস্থাপনার সমস্যার কারণে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির জন্যও অনেক সময় রোগীরা নার্সদের দায়ী করেন।

আসাদুজ্জামান জুয়েল বলেন, ‘এতে নার্সদের সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হয়। একপর্যায়ে তারা কাজের আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন এবং হতাশ হয়ে পড়েন।’

কর্তৃপক্ষ কী বলছে?
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করতে স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য প্রায় এক লাখ নতুন পদ তৈরির কাজ শুরু করেছে সরকার।

তিনি বলেন, শূন্য পদে নিয়োগ দ্রুত করতে জেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে বেশির ভাগ জেলার স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, চিকিৎসকদের ৪ হাজার ৩০৮টি এবং নার্সদের ১ হাজার ৬৫৩টি পদ শূন্য ছিল। তবে চলতি বছরের আগস্টের তথ্য বলছে, অনুমোদিত পদ ও শূন্য পদ, দুটিই বেড়েছে। তখন চিকিৎসকদের ৯ হাজার ৯৯০টি এবং নার্সদের ৪ হাজার ৮৭০টি পদ শূন্য ছিল।

প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের কাজ আগামী বছরের শুরুর দিকে শেষ হওয়ার কথা। এরপর আরও চিকিৎসক নিয়োগের প্রয়োজন আছে কি না, তা পর্যালোচনা করবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এ ক্ষেত্রে যেসব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শয্যাসংখ্যা বাড়িয়ে ১৫১ করার পরিকল্পনা রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের জনবলের প্রয়োজনও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের জন্য ২ হাজার ৫০০টি নতুন পদ তৈরির কাজও শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘লক্ষ্যমাত্রা পূরণে নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দিল আফরোজা বলেন, জনবল সংকট কাটাতে ধাপে ধাপে নতুন পদ তৈরি ও নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘একসঙ্গে সবকিছু করা সম্ভব নয়। ধীরে ধীরে সক্ষমতা বাড়াতে হবে। নার্সদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরই তাদের জন্য পদ তৈরি ও কর্মস্থলে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আগামী কয়েক বছরে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২৫ হাজার মিডওয়াইফারি নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শূন্য পদ পূরণে নিয়োগ চলছে। পাশাপাশি নার্সদের জন্য ১৫ হাজার নতুন পদ তৈরির প্রস্তাবও মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর।

আরও

ছাত্ররাজনীতি থেকে দলীয় নেতৃত্ব—পাংশার রাজনীতিতে চাঁদ আলী খানের দীর্ঘ পথচলা

সারা দেশ

ছাত্ররাজনীতি থেকে দলীয় নেতৃত্ব—পাংশার রাজনীতিতে চাঁদ আলী খানের দীর্ঘ পথচলা

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিত নাম মো. চাঁদ আলী খান। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিত্ব এবং দলীয় ন...

২০২৬-১০-১৪ ১৩:০২

কমলগঞ্জে ধলাই নদীতে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ

সারা দেশ

কমলগঞ্জে ধলাই নদীতে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ

কমলগঞ্জে ধলাই নদীতে বিষ প্রয়োগ করে দেশীয় প্রজাতির মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর থেকে নদীর বিভিন্ন...

২০২৬-১০-১৩ ১৯:৫৭

ঢাকার ধামরাইয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময়

সারা দেশ

ঢাকার ধামরাইয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময়

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসবমুখর ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপনে সব ধরনের নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে ঢাকা জেলা পুলিশ। আইন...

২০২৬-১০-১৩ ১৮:০৯

ফেনীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক

সারা দেশ

তরুণ প্রজন্মকে ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ড, ঘূর্ণিঝড়সহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পর্কে নিজে সচেতন হতে হবে ফেনীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক

ঘর থেকেই শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’ এ প্রতিপাদ্যে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষ্যে ফেনীতে ভূমিকম্প ও অ...

২০২৬-১০-১৩ ১৭:১৮

লালমনিরহাটে বিদ্যালয়ে বহিরাগতদের হামলা, প্রধান শিক্ষকসহ আহত ৬

সারা দেশ

লালমনিরহাটে বিদ্যালয়ে বহিরাগতদের হামলা, প্রধান শিক্ষকসহ আহত ৬

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সরলখা উচ্চ বিদ্যালয়ে বহিরাগতদের হামলায় প্রধান শিক্ষক রশিদুল আলমসহ ৬জন শিক্ষার্থী আহত হয়...

২০২৬-১০-১৩ ১৭:০৯