সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থা পুনর্গঠনের জন্য পাঁচটি বিষয়কে ‘ন্যূনতম শর্ত’ হিসেবে দেখছে তেহরান।
কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, যুদ্ধবিরতির পরও অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ও অবরোধমূলক তৎপরতা ইরানের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
ইরানের দেওয়া নতুন ৫টি শর্ত হলো:
১. সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করা (বিশেষ করে লেবাননে)
২. ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার;
৩. জব্দ করা ইরানি সম্পদ মুক্ত করা
৪. যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান ও
৫. হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌম অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া।
তেহরানের দাবি, আলোচনায় ফিরে যাওয়ার জন্য ন্যূনতম আস্থার পরিবেশ তৈরি জরুরি। আর সেই পরিবেশ গড়ে তুলতেই এসব শর্ত সামনে আনা হয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রস্তাবকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন। তবে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা, হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে অনিশ্চয়তা এবং যুদ্ধবিরতির ভঙ্গুর পরিস্থিতির মধ্যে দুই পক্ষের অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা এখন অনেকটাই নির্ভর করছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর। বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে এই উত্তেজনার প্রভাব বিশ্ববাজারেও পড়ছে।