প্রতিবেদনে বলা হয়, আমেরিকার সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগসহ সব ধরনের বার্তা আদান-প্রদান স্থগিত করা হয়েছে।
এমন এক সময়ে এই তথ্য সামনে এল, যার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ভয়াবহ হামলার ইঙ্গিত দিয়ে বার্তা দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালি খুলতে ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময় শেষ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ তিনি লিখেছেন, ‘আজ রাতে একটি পুরো সভ্যতার মৃত্যু হতে যাচ্ছে, যা আর কখনোই ফিরে আসবে না। আমি চাই না এমনটা হোক, কিন্তু সম্ভবত তা-ই হতে চলেছে।’
এরপরপরই ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) হুঁশিয়ার করে, যুক্তরাষ্ট্র ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করলে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও পাল্টা হামলা চলবে।
অবশ্য মঙ্গলবার সকালেও মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সংঘাতের একটি ভালো সমাধানের বিষয়ে আশাও প্রকাশ করেন তিনি।
সিএনএন এবং আল জাজিরার প্রতিবেদন বলছে, পাকিস্তান উভয় পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ সচল রাখতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের একটি নিরাপত্তা সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে, দেশটির বেসামরিক ও সামরিক নেতৃত্ব একটি বড় ধরনের অগ্রগতি (ব্রেকথ্রু) নিয়ে কাজ করছে।