মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার জানিয়েছেন, আঘাতকারী মিসাইলটি ছিল ম্যান-পোর্টেবল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম (ম্যানপ্যাড), যা হাতে ধরে ছোড়া যায় এবং হিট-সিকিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে। তিনি বলেন, “মিসাইলটি বিমানটির ইঞ্জিনে আঘাত হানে।”
পাইলট ও সঙ্গে থাকা ক্রুকে উদ্ধার করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র একটি এ-১০ যুদ্ধবিমান, দুটি এমসি-১৩০জে হারকিউলিস পরিবহন বিমান এবং অন্তত একটি হেলিকপ্টার হারায়। সংবাদমাধ্যম সিএনএন উল্লেখ করেছে, মাত্র কয়েক হাজার ডলারের একটি মিসাইলের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকশ মিলিয়ন ডলারের বিমান ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে।
ইরানের কাছে বিভিন্ন ধরনের ম্যানপ্যাডস আছে, যেমন সোভিয়েত আমলের স্ট্রেলা, রুশ ইগলা এবং ইরানিদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি মিসাইল। তবে নির্দিষ্ট কোন মিসাইলটি এফ-১৫ ধ্বংস করেছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
ম্যানপ্যাডস সাধারণত চার থেকে ছয় ফুট লম্বা এবং ১২–২৫ কেজি ওজনের লঞ্চ টিউবের মাধ্যমে ছোড়া হয়।
সংক্ষেপে: কাঁধ থেকে ছোড়া ছোট মিসাইলের মাধ্যমে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতায় মারাত্মক ক্ষতি করতে সক্ষম হয়েছে, এবং ক্রু উদ্ধার অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ক্ষতির সংখ্যা বেড়েছে।